Friday, 31 August 2018

আদেশ শেষে মানি
****************
মো. শহীদুল ইসলাম ফকির
১.৯.২০১৮
স্বরমাত্রিক -রচনা

যাহার ভয়ে গেলাম আমি
অনেক পরে খেতে,
তাহার কাছে পড়ছি ধরা
বলছে কাজে যেতে।

মেসের পাশে দাড়িয়ে থাকে
আসবে খেতে খানা,
যে আসতেছে বলছে তারে
যাও না বাবা যা না।

আমায় বলে দোস্ত তুমি
একটুখানি ধরো,
কারে বলবো মেঘ নামছে
তুমি একটু করো।

মেজর আমি একটু আগে
মেঘের জলে ভিজে,
অনেক গুলো কাজ করেছি
দেখছে স্যারে নিজে।

অনেক করে বলার পরে
মুচকি হেসে দিলো,
ডানায় ধরে মধুর সুরে
মনটা কেড়ে নিলো।

এখন তিনি বাঘ হয়েছে
মানুষ থাকে দূরে,
সকাল আর বিকাল নাই
লোকের পিছে ঘুরে।

এমন চাপে আছেন তিনি
দেখলে মায়া লাগে,
মুখের ভাষা যায় না বুজা
যখন তিনি রাগে।

ধৈর্য আছে ভালো মানুষ
অনেক ভালো জানি,
কষ্ট হলে হবে আমার
আদেশ শেষে মানি।

মানুষগুলো
নূরে আলম মামুন

মানুষগুলো এখন তো আর
ভালোমানুষ নেই
টাকা নিলে ফেরত দেয় না,
অন্য লোকের ভালো চায় না,
কোথায় যেনো হারিয়েছে
সততার সব খেই।

মানুষগুলো এখন শুধু
নিজে বাঁচতে চায়,
দেশ ও দশের দার-ধারে না
ন্যায়-নীতিতে কাজ পারে না
ঘুষ নিয়ে সব হুশ হারিয়ে
করে যে হায় হায়।

মানুষগুলো আস্ত পাগল
নিজকে ভাবে জ্ঞানী,
অন্যের নামে কুৎসা রটায়
সুযোগ পেলে পরকে পটায়
মহামতির ভাব ধরে সব
ঘোলা করে পানি।

মানুষগুলো কম সময়ে
বড় হতে চায়,
পায়ের উপর পা টা তুলে
ধর্মকর্ম সবই ভুলে
যখন তখন যাকে থাকে
অকারণ ঠকায়।

২৮/০৮/২০১৮ ইং রাত ১টা ৬ মিনিট।

Thursday, 30 August 2018

#কেনো_মিছে_নক্ষত্র_ভাসে_আকাশে
           মতিউর রহমান
----------------------------------------
কেনো মিছে নক্ষত্র ভাসে আকাশে
কেনো মিছে আশা,,
কেনো আবার প্রহর শেষে
কাটে শিশির ভেজা,,

কেনো মিছে প্রভাত জাগে?
কেনো মিছে দুপুর?
কেনো আবার রৌদ্র ছায়ায়
জীবন গড়ায় সুদূর।
🌹 🌹 🌹 🌹🌹 🌹
 🌹🌹 🌹 🌹 🌹 🌹
…...…,•’``’•,•’``’•,
…...…’•,`’🌹’` ,•’
...……...`’•, ,•’,•’``’•,•’``’•,
,•’``’•,•’``’•,....’•,`’🌹’` ,•’
’•,`’🌹’` ,•’…....`’•, ,•’
   `’•, ,•’
┏━━━━ "" ━━━━━┓
♦ мιѕѕ   уσυ        ♦
┗━━━━ "" ━━━━━┛
  ""''''''#বিচিত্রতা
       সাহেব মাহমুদ
      তাং:-৩০/৮/১৮ ইং

  নদীর ধারে রাখাল ছেলে
    বাজায় বসে বাঁশি,
  ঝিলের জলে পদ্মফুলে
    হাসে মধুর হাসি।

 ঝিরি ঝিরি দখিন হাওয়ায়
    দুলছে তনু মন,
  রূপের রানীর রূপ মাধুরী
   করছে আস্বাদন।

 ডুব সাতারে শাপলা শালুক
      তুলছে ছেলে-মেয়ে,
  দীঘির জলে কৃষাণ বধূ
   যাচ্ছে দেখো নেয়ে।

  হিজল তমাল গুবাক বনে
    মুখরিত পাখি,
 কলমি লতা, পাতা বাহার
  দেখলে শান্ত আঁখি।

   সাদা সাদা বকের সারি
     খাচ্ছে পুঁটি মাছ,
   আপন মনে দেখছে খুকী
    ফিঙে পাখির নাচ।

   প্রকৃতির এই বিচিত্রতা
     পাবে আর কোন দেশে,
  ভোর-বিহানে ঘাসের ডগায়
     শিশির কণা হাসে।

Thursday, 16 August 2018

ভাবছি; ধীরে ধীরে ভুলে যাব, তার মুখ ভোলা কি যায় আহা!
স্মৃতি – কাঁটা – দুখ! ভাবছি, নদীর তীরে হেটে যাব বহু দূর, ঢেউগুলো ফিরে কেন আনে বিষণ্ণ সুর! যত দূরে যাই কেন ঢেউ ভাঙে নদী? যত দূরে যাই ঢেউ ভাঙার শব্দ শুনি !!!

Wednesday, 15 August 2018

কবিতায় বঙ্গবন্ধু
  রবিন বিশ্বাস
----------------------------------------------------------
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
তারই স্মরণে দেশ তরনী নিত্য আজো বহমান
১৭ই মার্চ ইংরেজী তারিখ ১৯২০ সালে
টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন মাতা সায়েরা খাতুনের কোলে।
সার্থক জনম সেদিন  পেলেন পিতা লুৎফর রহমান
আজকে মোদের জাতির পিতা তারই অবদান
চার কণ্যা আর দুই পুত্রের সংসারেতে তিনি
তৃতীয় সন্তান নিখিল বিশ্বে আজো তাকে ভুলিনি।
মিয়া ভাই বলে ডাকত তাকে গ্রামের লোক যত
ডাক নাম তার খোকা ছিল-সাহেবও ছিল কত
এম.ই.নামক স্কুলে করেন শিক্ষা জীবনের শুরু
আব্দুর রশিদ ছোট খান সাহেব তিনি ছিলেন গুরু।
উনিশ শত চৌত্রিশ সালে ১৯৩৪ বঙ্গবন্ধুর মোর
বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত তার জীবনে নামে ঘোর
উদিত রবি অস্তে যাওয়ার যেন সন্ধিক্ষণ হয় ধার্য
কলকাতার মহা বিজ্ঞ হেকিম শিবপদ ভট্টাচার্য।
বিষাদ মুচতে আরো আসেন এ.কে.রায় চৌধুরী
তাদের মহা দাওয়ায় যেন তিমির ছায়া যায় সরি
বয়স সন্ধির ক্ষণে যখন জ্যোতিময় হল যৌবন
শুভ পরিনীত হলেন তখন রেনুকে সপে দেহ-মন।
উনিশ শত আটত্রিশ সাল ১৯৩৮ সহপাীদের সাথে
হাঙ্গামা করে লোহার বেড়ি নিজে পরে নেন হাতে
সপ্তনিশি ভোগেন তিনি অন্ধকার কারাগারে.......
অতপর মেলে মুক্তির সাধ জামিনের ব্যবহারে।
গোপালগঞ্জের মিশন স্কুলে পাঠ গ্রহনের কালে
রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন তিনি ১৯৩৯ সালে
ঐ বছরেই মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলার দর্শণ পান
১৯৪০ সালে মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে করেন যোগদান।
১৯৪২ সালে ইসলামিয়া কলেজ কলকাতার
অধ্যয়ন কালে সক্রিয় হয় ছাত্র রাজনীতি শুরু তার।
১৯৪৩ সালে বেঙ্গল মুসলিম লীগে সহসা করেন যোগদান
নির্বাচিত হয়ে কাউন্সিলর পদে দৃঢ় করেন অবস্থান
মহা সচিব নির্বাচিত হন ১৯৪৬ সালের দিকে.......
বি.এ.ডিগ্রী লাভ করেন ফের ইসলামিয়া কলেজ থেকে।
বিশ্ব বিদ্যালয় ঢাকাতে আসেন দেশ বিভক্তির পর
প্রতিষ্টা করেন মুসলিম ছাত্র লীগ পূর্ব পাকিস্থান ভর
১৯৪৮ সাল ১৯ শে মার্চের মাজে..........................
বিশ্ব বিদ্যালয়ে রত হন তিনি অধিকার আদায় এর কাজে।
অখুশি সকল তাহার প্রতি ১১ই সেপ্টেম্বর
আটক পূর্বক বিশ্ব বিদ্যালয় তাকে করেন বহিস্কার।
১৯৪৯ সালের ইংরেজী ২৩ শে জুন....................
আওয়ামী মুসলিমলীগ প্রতিষ্টা করে যশ কেনে বহু গুন
১৯৫২ সালের ১৪ ই ফেব্রুয়ারী..........................
রাষ্ট্র ভাষার দাবিতে ফের জেলে যেতে হয় তারি।
১৩ দিন ধরে অনশন করে অন্ধকার কারাগার
ফেব্রুয়ারীর ২৬ তারিখ মুক্তি মেলে তার

Tuesday, 14 August 2018

এপার থেকে ওপার
#মতিউর রহমান

বৃষ্টির ঝিরিঝিরি বইছে প্রবল ঢল,
ঝাঁকেঝাঁকে জেলেরা খেঁয়া নিয়ে চল।
হাতিপুরী নদীর নামটি চেনা মুখে ডাকে,
দূরপাল্লার কত জেলে খেঁয়ার জাল টানে।

জেলেদের ডিঙি নিয়ে করে ছুটাছুটি
আষাঢ়ের নতুন মাছ চলে সারিসারি,
আঁকাবাঁকা নদীর মাঝে দেখা যায় পাল
ওপারের জেলেরা টানছে বেড়াজাল।

মন মাতানো বাঁশির সুরটা কে বাজাচ্ছে শুনি
ওপার থেকে একটি মেয়ে করছে হাসাহাসি।
এপার থেকে ওপারেতে দিচ্ছে মনের টান,
কাঁশফুলের ঐই ছন্ন মাঠে আসবে আমার জান।

               20/04/2018

দক্ষিণ দেশে বাড়ি তাহার

       ~মতিউর রহমান
------------------------------------

দক্ষিণ দেশে বাড়ি তাহার
গঠন গাঠন ভালো,
শুনেছি তার বরণ কালো
কিন্তু, মন'টা তাহার ভালো।
তাদের আছে ৫টা গাছ
ধরে বড় আম,
বিয়ের আগে খাওয়াতে চায়
তাদের নাকি সম্মান।
চিনিনা জানিনা.......
কি করি বলো;
নদীর ঘাটে বসে থাকে
আমারি জন্য।
মনটা আমার যেথায় সেথায়
ভুল করেনি,
মাঝে মাঝে ছোট-খাটো
অভিমান করি।



Date: 07/05/2020
অাষাঢ় মাসে
মুহাম্মদ অালী অাশরাফ
~~
অাষাঢ় মাসে ডাকছে অাকাশ
গুড়গুড় করে অাহারে,
বৃৃষ্টি হলেই টেংরা পুঁটি
উজান ছুটবে বাহারে।

অাষাঢ় মাসে মেঘের অাকাশ
মেঘ ডাকছে আহারে,
সেই মেঘেতে ছিচকে ফোটা
মাথার উপর পড়ে'রে।

ঐ ডাকে ঐ সাঁকে
খোকাখুকি ছুটে'রে,
বাড়ির পাশে ঐ ছোট্রখালে
পানি গড়ে নামছে' রে

নীল আকাশের মেঘের আবড় উড়ে বেড়ায়
ঝড় বৃষ্টি আসবে'রে,
হাটুপানি জমেছে তাই
ব্যাঙের গান শুনবো' রে


এই ছেলেরা এই মেয়েরা
কই রে তোরা কই?

পানির সাথে মৎস্যগুলো
খেলছে অাপন মনে,
ধরতে যাবে কে কে এখন
অায় রে অামার সনে।

মনানন্দে ধরবো অামরা
হরেক রকম মাছ,
করিস না অার দেরি ওরে
মিটবে মনের অাশ।
~~
রচনাকালঃ২৬/০৭/১৮ইংরেজি।
মধু মাসে
---------
মাষ্টার মোহাম্মদ সেলিম
( মাত্রাবৃত্ত-৪+৪+৪+৪) 

মধু মাসে মধু ফল
দেহে বাড়ে বেশি বল।
আম, জাম, আনারস
যত চিপে তত রস।
লিচু আর গাব ফলে
বেশি খেলে দেহ জ্বলে।
যত খুশি খাও কলা
খুশি মনে যাবে চলা।
ভিটামিন কাঁঠালেতে
হয় বেশি পানি খেতে।
পেঁপে করে পেট ঠিক
পেয়ারার নানা দিক।
আপেল ও মাল্টায়
দেহ ঘড়ি পাল্টায়।
গরমেতে ডাব বেশি
ঠিক রাখে সব পেশি।
শ্লোগানটা অবিকল
রোজ রোজ খাও ফল।।

Monday, 13 August 2018

  • তুমি আমায় একটু ইশারায় ইঙ্গিত করো, আমি বুঝে নিবো ভালোবাসা আছে। পাহাড় সমুদ্র নদী- এক তোড়া গোলাপের পাঁপড়ি নিয়ে তোমার পিছু ছুটে চলা। যদিও গোলাপে নেই কোনো সুভাসের গন্ধ নেই,তবুও তো বর্ষার কদম ফুলের চেয়েও সুন্দর। সোনালী হৃদয়ের লেনদেনে ঝলমলে যা কিছু হয় না হোক!তারপরেও গোলাপের  মাঝে আছে অনেক প্রাপ্তি। নয় কোনো সদা, পাপড়ি গুলো শিখাবে ভালোবাসার কথা। আর কোন প্রতিজ্ঞা নয়, তুমি শুধু একটুকু ইশারা কর আমি বুঝে নিবো ভালোবাসা আছে সূদুর থেকেও অতি নিকটতম। 

গোলাপের পাঁপড়ি

গোলাপের পাঁপড়ি মতিউর রহমান ---------------- তুমি আমায় একটু ইশারায় ইঙ্গিত করো, আমি বুঝে নিবো ভালোবাসা আছে। পাহাড় সমুদ্র নদী- এক তোড়া গোলাপের পাঁপড়ি নিয়ে তোমার পিছু ছুটে চলা। যদিও গোলাপে নেই কোনো সুভাসের গন্ধ নেই,তবুও তো বর্ষার কদম ফুলের চেয়েও সুন্দর। সোনালী হৃদয়ের লেনদেনে ঝলমলে যা কিছু হয় না হোক!তারপরেও গোলাপের মাঝে আছে অনেক প্রাপ্তি। নয় কোনো সদা, পাপড়ি গুলো শিখাবে ভালোবাসার কথা। আর কোন প্রতিজ্ঞা নয়, তুমি শুধু একটুকু ইশারা কর আমি বুঝে নিবো ভালোবাসা আছে সূদুর থেকেও অতি নিকটতম।

Sunday, 12 August 2018

ঝুম পাহাড়ি মেয়ে

ঝুম_পাহাড়ি_মেয়ে

-মতিউর রহমান(মিঠু)।

*********************

ঝুম পাহাড়ি মেয়ে 
তোমার হৃদয় ভরা মন,
ঝর্ণার পাড়ে বসে বসে 
ভাবছো কি এমন?

করো যদি নিজের ভাবনা 
দোষ দিবোনা,
চাইলেও যে তোকে আমি 
ভুলতে পারবোনা। 

বহুপথ পাড়ি দিয়ে এলাম 
আরও বহুদুর হবে যেতে,
পাহাড়ি মেয়ে তুমি-
এক গ্লাস পানি খাওয়াবে!!

চলার পথে আমি যে বড্ড ক্লান্ত
তুমি জানো হে অন্তগামী,
বহুদূর পাড়ি দিতে হবে 
আমি যে বড় একাকী।

যদি না ধরো হাত 
কিভাবে যাবো আমি?
সম্মুখে দুর্গম পথ 
কিভাবে দিবো পাড়ি।

মাঝপথে এসে তুমি 
দিয়ো না যেনো আড়ি! 
সূদূর থেকেই আমি দেখবো
তোমার বুকে কার বাড়ি?

শ্রাবনের দিন

*** শ্রাবনের দিন ***    

      মতিউর রহমান
 ***********************
শ্রাবনের দিনে তারে কেমনে দেখি হাসিমাখা মুখ খানি,
শুল্ক শুল্ক বাতাস আসে গায়ে মুখ খানা রেখেছে আড়ি।
বিচিত্র কানন চিত্র মোদের মেঘলা পলাশে,
রুদ্র ছায়ার সঙ্গী আকাশ রঙ ধনু সাজে রাঙিয়ে।
সবুজ ঘেরা মাঠের ফসল কৃষকের মহিমায়,
শ্রাবন আসলে আকাশ আবার লাজুক ভাবে তাঁকায়। __________________মতিউর ররহমান®

ডাকবাক্স

প্রিয় (এস), -এম আর মিঠু। অবশেষে শহর ছাড়ছি। কোথায় যাব ঠিক করিনি। তোমার কথা মনে হলেই বারবার মনখারাপি এসে হানা দিচ্ছে দুয়ারে। আচ্ছা, হারিয়ে যাও...